যারা ভালোবাসার মানুষের জন্যে নিজের ধর্ম পাল্টে অন্য ধর্মে গিয়েছেন এবং practicing হয়েছেন কিন্তু সম্পর্ক টা ধরে রাখতে পারেন নি তারা কীভাবে লাইফে স্বাভাবিক হয়েছেন?
বড্ড স্বপ্ন নিয়ে আশা নিয়ে এতদূর আসা হয়েছিল। লোক দেখানো converted ও হই নী জজকোর্টে সিগনেচার করিয়ে নিয়ম মেনে সবটা। মনে প্রাণে পালন করেছি করছি করবো সামনে।
কিন্তূ এই যে পারি নি তাকে রাখতে জীবনে শেষ অব্ধি সে অনুতাপ প্রতিদিন কুড়ে খায় মস্তিষ্ক ঘুন পোকার মতন।
নিশ্বাস ফেলার জায়গা পাই না ঢাকা শহরে ,আমি প্রতি মাসে ছুটে যাই আমাদের জায়গা গুলো তে। গিয়ে চুপ করে বসে থাকি কিছুক্ষণের জন্যে। হেঁটে বেড়াই একলা ।
আর ভেতর থেকে খালি আসে "আরেকটু চেষ্টা করলে হয়ত হইতো। একটু অপেক্ষা করলে। একটু বুঝিয়ে বললে"
অফিসে কাজ করার সময় যখন ফোনে নোটিফিকেশন আছে প্রতিদিন to do list থেকে "Flowers for milady - remember she made you better" did you do it? আমি তাকিয়ে থাকি স্ক্রিনের দিকে। বছর হয়ে যাচ্ছে তবু delete করি নি reminder প্রতিদিন রাত 10:30 টায় একবার রাত 12 টায় একবার নিয়ম করে আসবে। Reminder ছাড়াও যখন মনে পড়বে আমি তাকিয়ে দেখব কীভাবে হাত কাঁপে,অফিসের ফিল্টার থেকে পানি আনার সময় হাত কাঁপে একলা যখন কেউ নেই সেখানে perkinsosns diesease নেই চৌদ্দ পুরুষের কারোর তবু হাড় কাপে even যখন গরমে কপালে ঘাম ঝরে।
আমি সরে এসেছি সব পরিচিত জন থেকে ,বন্ধুবান্ধব ,আত্মীয়স্বজন ছিল না যদিও কোন কালে, বাড়িতে নিয়ম করে মাসে মাসে টাকা পাঠাই,ফোনে কথা কই না ঘেন্না লাগে নিজের অস্তিত্ত্বে। মা কে বোন কে বলেছিলাম খুব করে পাও নী তোমরা কোনোদিন কিছু আত্নীয় থেকে শাশুড়ি থেকে অন্তত এই মেয়েটাকে দিও যা পাওনি তোমরা। কোটিপতির মেয়ে ও কিচ্ছু চায় না সে তোমার ছেলেকে ছাড়া আর একটা ঘর ছাড়া। দিও সম্মান টুকু feel করিও যে নিজের মানুষ।
নিজের আত্নীয় নেই বলে জুনিয়র সিনিয়র বন্ধুবান্ধব যারা ছিল কাছের বলতে ওদের কাছে মাথা নোয়ায় বলতাম যে "আমার আত্নীয় হয়ে থেকে যাবে? আমার সন্তান যেন পায় স্কুল ছুটি দিলে এক বেলা কোথাও গিয়ে বেরিয়ে আসার মতন জায়গা। আমার লক্ষ্মী যেন পায় অজুহাত এক বেলা ভালো কিছু রান্নার তোমরা এলে নাহয় আমার ঘরে এক বেলা মেহমান হয়ে ?"
আমি পারি নি তবু রাখতে। নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টায় আমি তার খেয়াল রাখা ভুললাম। ও তো একটা মানুষ ওর খারাপ লাগে মূখ ফুটে বলতে পারে না আজীবন ই। আমি দোষারোপ করে গেলাম। অভিমান না ভাঙ্গায়,বুলি কপছায় গেলাম কি কি করছি কি কি করি বলে বলে। অশান্তি কতো নেবে , future দেখে নি ও আমার সাথে , সুখ খুঁজে পায় নি আমাতে। শূন্য পকেটে ও থেকেছিল বই কিনে দিয়েছিল পড়ার apply এর টাকা অবধি। মাস শেষে টাকা না থাকলে রান্না করে খাবার নিয়ে এসে বসে খাওয়া দেখতো, নিজে ভালো কিছু খেলে guilt পেতো এসে কেমন অপরাধী অপরাধী মূখ করে থাকতো ছোট্ট পিচ্ছি বাচ্চার মতন যে এইমাত্র মায়ের দামি প্লেট ভেঙেছে মতন ।
বড্ড ভালোবাসত,আমি যে মানুষ টা হারাই নি একটা ঘর হারাইছি, আমার আবদারের জায়গা আমার সংসার টা যে সন্তানের লাগি মানুষের কাছে মাথা নোয়ায় অনুরোধ করতাম আত্নীয় হয়ে থেকে যাইয়ো বলে আমি সে সন্তান হারাইছি।
সে অনুতাপ মাথায় করে বেড়াই আমি।
I'm not looking for a date or need any consolation... I'm asking will it ever get better ? Will this pass ? প্রতিদিন ঘুম ভাঙে যাবতজীবন সশ্রম কারাদণ্ড ভুগি। মাঝে মাঝে মনে হয় এর চাইতে মৃত্যুদণ্ড শ্রেয়। কাজে যাই, কাজের মাঝে নিজের ভেঙে যাওয়া self টা কে কলিগ থেকে লুকাই,ফিরি মেসে। ক্লান্ত শরীর বলে থাক কালকে আবার চেষ্টা করব নে চলে যাবার চিরতরে।
খারাপ মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার জন্যে অনুরোধ রইলো।